Categories
দুনিয়া দেশ বিনোদন

মোদিকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্টের জের:সন্ত্রাস দমন বাহিনীর জেরায় নোবেল

নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করায় সমালোচনার মুখে পড়লেন বাংলাদেশি গায়ক নোবেল। এই বিতর্কিত পোস্ট বাংলাদেশী পুলিশের সন্ত্রাস দমন বাহিনী তথা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের চোখও এড়ায়নি। ডেকে পাঠানো হয় হয়েছিল নোবেলকে। র‌্যাব কার্যালয়ে এনে নোবেলকে জেরা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন এমন বিতর্কিত পোস্ট করছেন তার উত্তর মিলেছে নোবেলের মুখ থেকেই। তার আগামী গান ‘তামাশা’ , নিজের গানের প্রচারের জন্যই এইসব বিতর্কিত পোস্ট করেছেন বলে জানান বাংলাদেশি গায়ক।

এই বিষয়ে ‍র‌্যাবের এক আধিকারিক এসপি মনির জামান বলেন, ‘নোবেলকে নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। বোধহয় আর দরকার নেই। উনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী, যিনি কিনা আমাদের প্রতিবেশী দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়। তাঁর নিজস্ব ফেসবুক পেজে সম্প্রতি যা বলেছেন তা তাঁর আসন্ন নতুন গান ‘তামাশা’র প্রচারের জন্যই। কাউকে কষ্ট দেওয়া তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। এরপরও যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তার জন্যে উনি আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। আমরা ‍র‌্যাবের পক্ষ থেকে নোবেলকে ডেকেছি এবং উনি স্বেচ্ছায় আমাদের কাছে এসে এ কথা জানিয়েছেন।’নোবেল নিজেও তাঁর ফেসবুকে পেজে এ কথা জানিয়েছেন।

ভারতের জনপ্রিয় বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলের রিয়ালিটি শো ‘সারেগামাপা’র মঞ্চ থেকেই খ্যাতির শুরু মঈনুল আহসান নোবেলের। তবে পরবর্তী সময়ে গানের থেকে বিতর্কেই বেশি জড়িয়েছেন। কিংবদন্তিদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য থেকে ধর্ষণের মত গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত নোবেল।

এবার তাঁর কটুক্তি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘চায়ওয়ালা’ সম্বোধন করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন । নোবেল তাঁর পেজে লিখেছিলেন, ‘স্ক্যান্ডাল আমার হবে না তো কার হবে। চায়ের দোকানদার নরেন্দ্র মোদির? কে দেখবে চাওয়ালার স্ক্যান্ডাল? অন্যদিকে আমাকে নগ্ন দেখার জন্য তো বিরাট স্যাটিসফেকশন। তাই না? নাহলে কি স্ক্যান্ডার এত ভাইরাল হয়?’ নোবেলের এই পোস্টের পরই পর্তিবাদের ঝড় ওঠে নেট দুনিয়ায়। শুধু ভারতীয় নয়, স্বদেশিদের রোষের মুখেও পড়তে হয় নোবেলকে। যদিও নতুন একটি পোস্ট করে ক্ষমা চেয়ে নেন নোবেল।

সমালোচকরা বলছেন নোবেল ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছেন দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের কারনে,ক্ষমা না চাইলে আগামী দিনে বেশ সমস্যায় পড়তেন,যদিও তাঁর ক্ষমা চাওয়ার ভাষা এবং ভঙ্গিমায় সন্তুষ্ট হননি ভারতীয় নেটিজেনরা।